আকুল প্রতীক্ষা

long longing

আকুল প্রতীক্ষমান মানুষটা একা একাই থাকে
এ জীবনে তার কোনো বন্ধু নাই।

দুর্ভাগ্যের এই পৃথিবীকে যে বিশ্বাস করে
তুমি তো অনায়াসে তাদের ধূলোয় মাড়িয়ে দাও।
অবাক হই তাদের কথা ভেবে যারা তোমাকে চায়
যদিও জানে তুমি সবচেয়ে তাজ্জব সৃষ্টি।
তোমার খুব সুন্দর একটা অর্থ দিয়েছি আমি,
না হলে তোমার মধ্যে এক মুহূর্ত থাকতে চাইতাম না।

আমি তো আল্লাহকে পেয়েছি, রাব্বুল ‘আলামিন
সকল সৃষ্টি ভালবাসে তাঁকে।
তিনি যে এক তার প্রমানের শেষ নেই,
এর বিপরীতে মিথ্যা বিতর্কেরও কমতি নেই।
আমি শুধু বলব – গভীরভাবে ভাব
পথ তুমি খুঁজে পেয়ে যাবে।
আমি শুধু বলব – চারপাশে তাকাও
উত্তর তুমি এখানেই পেয়ে যাবে।

পৃথিবীর ছায়া থেকে একটু বেরিয়ে আসো
মরিচীকার পিছে ছুটবে আর কত?
আসো কবরের পাশে দাড়াই – এক টুকরো স্মৃতি পাবে
কৃতজ্ঞ হবে, আবার ভুলেও যাবে।

আসো কোরআন পড়ি
হাসানাত দূরে ঠেলে দেয় আজাব কে
আসো নবীর কথা মানি
চারপাশে দেখবে শুধু আলো আর আলো।

[আহমেদ বুখাতীর এর ‘তাউইল আল শাক’ এর ইংরেজী লিরিক থেকে বাংলা অনুবাদ]

 

মৃত্যু ভাবনা (কবিতা)

এই যে মানুষ
হ্যাঁ তোমাকে বলছি,
এই যে টিভি দেখছ মানুষটি
এই যে গান গাচ্ছো মানুষটি
এই যে কথা বলছ মানুষটি
আমি তোমার সাথে কথা বলছি।

তোমার মৃত্যু ভাবনা বলো,
তোমার মৃত্যু পরিকল্পনা বলো,
অনিশ্চিত পাওয়া না পাওয়া নিয়ে তো
পরিকল্পনার অন্ত নেই,
নিশ্চিত মৃত্যুর পরিচিন্তন কেমন তোমার বলবে?

মৃত্যুমুহুর্ত কেমন হবে জানো?
যে নবী সকল কষ্টে ধৈর্য্য ধরার বাদশা ছিলেন,
মরণবেলায় কালেমা পড়তে পড়তে তিনি বলেছেন,
‘মৃত্যু বড় কঠিন’।
মালাকুল মউত যেদিন জান কব্জা করবে তার নিজের,
চিৎকার করে সেদিন সে বলবে,
‘যদি জানতাম মৃত্যু এত্ত কষ্টের
তাহলে একটা জানও কোনদিন কবজ করতে পারতাম না’।

তুমি যেখানেই থাকো না কেন,
মৃত্যু তোমার নাগাল পাবেই,
যত সুউচ্চ সুদৃঢ় দুর্গে থাকো
যতই ডাক্তার মোক্তার সঙ্গে রাখো।
এই যে কবিতা পড়া মানুষ,
বয়স তোমার যতই হোক,
নয় কিংবা নব্বুই,
মৃত্যু নিয়ে ভাবার তোমার এখনই সময়।