তোমার দ্বীন কি?

debt

ক্লাসের সবার সামনে অনেক ভালো একটা প্রেসেন্টেশন দিয়েছেন আপনি। নিজের পারফর্মেন্সে বেজায় খুশী। এবার কোয়েশ্চান-আনসার সেশন শুরু। প্রথম প্রশ্নকর্তা প্রশ্ন করলো। আপনি প্রশ্নটি শুনতে পেলেন ঠিকই কিন্তু বুঝতে পারলেন না, কারণ সে তার প্রশ্নে এমন একটা টেকনিক্যাল ওয়ার্ড ব্যবহার করেছে যার সাথে আপনি পরিচিত নন। আপনি হাল্কার উপর যা বুঝেছেন সে অনুযায়ী যেই উত্তর দেয়া শুরু করেছেন প্রশ্নকর্তা আপনাকে থামিয়ে দিলো। স্পষ্ট ভাবে আপনাকে আবার জিজ্ঞেস করলো – ‘আমি জানতে চাচ্ছি &)$%#@ টা আপনি কিভাবে ভ্যালিডেট করেছেন?’ আপনি কোনরকম একটা উত্তর দিতে গেলে সে আবার আপনাকে থামিয়ে দৃঢ়ভাবে প্রশ্ন করলো। আপনার মাথা বেয়ে দর দর করে ঘাম ঝরা শুরু করলো, ভাবতে লাগলেন প্রশ্নকর্তা যা বুঝাতে চাচ্ছে তাই যখন বুঝি না তখন উত্তর দিবো কিভাবে? এইরকম অভিজ্ঞতার সম্মুখীন আপনি কখনো হয়েছেন কিনা আমি জানি না, কিন্তু আমি আমার থিসিস সুপারভাইজার এর সামনে এই অবস্থায় অনেকবার পড়েছি।   

আমাদের মৃত্যুর পর আমাদের কবরে দুইজন ফেরেশতা আসবে। এসে শোয়া অবস্থা থেকে উঠিয়ে বসাবে, তারপর আমাদেরকে তিনটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবে। এর মধ্যে দ্বিতীয় প্রশ্নটা হলো –

 ما دينك – মা দিনুকা (তোমার দ্বীন কি)?

প্রশ্নটির মূল শব্দ হলো দ্বীন (دين)। কাজেই, আমরা যদি চাই এই প্রশ্নের উত্তর ঠিকমতো দিতে চাই তাহলে আগে দ্বীন শব্দের অর্থ বুঝতে হবে।  সাধারনভাবে দ্বীন শব্দটির অনুবাদ যদিও বলা হয়ে থাকে ‘ধর্ম’, কিন্তু আরবীতে দ্বীন শব্দটির অর্থ ব্যাপক। আপনি যখন জানবেন আরবীতে দ্বীন বলতে কি বুঝায় তখন চমৎকৃত না হয়ে থাকতে পারবেন না।

১ – দ্বীন শব্দের মূল অর্থ হলো ঋন বা দেনা। আমরা প্রত্যেকেই আল্লাহ্‌র কাছে ঋনী কারণ তিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা – আর ‘দ্বীনুল ইসলাম’ বলে কিভাবে আমরা আল্লাহ্‌র কাছে আত্মমর্পণের মাধ্যমে (ইসলাম শব্দের অর্থ submission বা আত্মসমর্পণ – বিস্তারিত পরে আলোচনা করা হবে) তাঁর ঋন পরিশোধ করবো।  দ্বীনুল ইসলাম শুধু আল্লাহ্‌র ঋণ কিভাবে পরিশোধ করতে হবে তাই বলে না, কিভাবে মা-বাবা ও অন্য মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার ও প্রাপ্য অধিকার দেয়ার মাধ্যমে তাদের ঋণ পরিশোধ কিভাবে করতে হবে তাও বলে। জীবনের প্রতি আমাদের যে দায়বদ্ধতা, বাবা-মা ও অন্য মানুষদের প্রতি আমাদের যে দায়বদ্ধতা আমরা প্রত্যেকেই তা কোন না কোন ভাবে পালন করে থাকি। এই দায়বদ্ধতা যদি আমরা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল(সা) এর দেখানো পথে পালন করে থাকি তাহলে আমাদের দ্বীন ইসলাম, কিন্তু যদি আল্লাহ-রাসূলের কথার তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল-খুশীমতো চলাফেরা করে থাকি, তাহলে আমরা নামে মুসলিম হলেও আমাদের প্রকৃত দ্বীন অন্যকিছু।

আর যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দ্বীন কামনা করলে তা তার থেকে কখনোই গ্রহণ করা হবে না এবং আখিরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত। (সূরা আলে ইমরান ৩:৮৫)

২ – দ্বীন শব্দটির শব্দমূল (root word) হলো ‘দা ইয়া না (د ي ن)’। এর একটা অর্থ হলো কোনও কিছুকে ডিসিপ্লিন করা। রাসূলুল্লাহ(সা) প্রশংসা করেছেন যে তার নফস কে নিয়ন্ত্রণ করে (মানদাহা নাফসাহু) (তিরমিযী)। আল্লাহ্‌র নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী যে তার চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে তার দ্বীন হলো ইসলাম। আল্লাহ আমাদেরকে ৫ ওয়াক্ত নামাজের মাধ্যমে নিজেকে ডিসিপ্লিন করতে বলেছেন। কিন্তু আমরা যদি ইচ্ছা হলে নামাজ পড়লাম, আর ইচ্ছা হলে ছাড়লাম করতে থাকি – তাহলে আমরা ইসলামের মাধ্যমে আমাদের জীবনকে ডিসিপ্লিন করতে অস্বীকৃতি জানালাম।

৩ – দ্বীন শব্দের আরেকটি অর্থ হলো বিচার দিবস। যেমন, আমরা সূরা ফাতিহায় বলি ‘মালিকি ইয়াওমিদ্দিন’ (যিনি বিচার দিনের মালিক)। বিচার দিবসে আমাদের জিজ্ঞেস করা হবে আল্লাহ ও মানুষকে তাদের প্রাপ্য দেনা আমরা বুঝিয়ে দিয়েছিলাম কিনা  – আর এর জন্য বিচার দিবসের আরেক নাম ‘ইয়াওমিদ্দিন’ বা হিসাবের দিন।

৪ –  দ্বীন শব্দের আরেকটি অর্থ হলো এমন বৃষ্টি যা বার বার ফিরে এসে পৃথিবীকে জীবন দেয় (a rain that returns again and again, and brings back earth to life)। সৃষ্টির শুরু থেকে আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূলকে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। নবীদের জীবনের লক্ষ্য ছিলো তাওহীদের বানীকে প্রচার করে পৃথিবীতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা – আর এর মাধ্যমে পৃথিবীকে পুনর্জীবিত করা। সুতরাং, যে জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমরা আমাদের জীবন ব্যয় করবো, সেটাই হলো আমাদের দ্বীন।

৫ – দ্বীন বলতে বুঝায় জীবন ব্যবস্থা / আর রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে তার শাসন ব্যবস্থা। যে ব্যক্তি যে মৌলিক নিয়ম-নীতির উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নেয়, পারিবারিক সিদ্ধান্ত নেয়; যে শাসক যে সংবিধান অনুসরণ করে তার দেশ চালায় সেটাই তার দ্বীন। সূরা ইউসুফে আল্লাহ বলেছেন, ইউসুফ(আ) যখন চাচ্ছিলেন তার ভাইকে নিজের কাছে রেখে দিবেন তখন তিনি যদি মিশরের বাদশাহর সংবিধান (দ্বীন) অনুসরণ করতেন তাহলে তা সম্ভব ছিলো না।

 আল্লাহ না চাইলে বাদশাহর আইনে (দ্বীনে)  তার ভাইকে সে আটক করতে পারতো না। (সূরা ইউসুফ ১২:৭৬ আয়াতাংশ)

একটা উদাহরণ দেয়া যাক। আমার পি এইচ ডি ল্যাবে আমার সৌদি বন্ধু নাইফ আমাকে বলেছে সে আরো অনেক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি পড়ার সুযোগ পেয়েছিলো, কিন্তু অন্য ইউনিভার্সিটিগুলো ছেড়ে তার কার্লটন ইউনিভার্সিটিতে আসার মূল কারণ হলো তার বন্ধুরা তাকে বলেছিলো যে এখানে অনেক সুন্দর নামাজ ঘর আছে। কোথায় পড়তে যাবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে ইউনাভার্সিটির র‍্যাঙ্কের চেয়ে তার বেশী গুরুত্ব ছিলো সে ৫ ওয়াক্ত জামাতের সাথে নামাজ পড়তে পারবে কিনা। কাজেই নাইফের দ্বীন হলো ইসলাম।

 উপরের এইসব কারণে দ্বীনের সঠিক অনুবাদ হবে জীবন পরিচালনার মূলনীতি বা System of Life. 

এবার আসা যাক প্রশ্নের উত্তরে। মুসলমান মাত্রই জানে ‘মা দ্বিনুকা’ প্রশ্নের উত্তর হলো:

ديني الإسلام  দ্বীনি আল ইসলাম (আমার দ্বীন হচ্ছে ইসলাম)

কিন্তু, ইসলাম বলতে কি বুঝায় তা আমরা কয়জন মুসলিম ঠিকমতো জানি? আসুন এবার দেখি ইসলাম শব্দের অর্থ কি?

ইসলাম শব্দটির শব্দমূল হলো আল-সিলম্‌, যার অর্থ হলো আত্মসমর্পণ(Submission)।  আর ইসলাম বলতে বুঝায় আল্লাহ্‌র ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ করা। মহাবিশ্বের সকল জড় বস্তু ও প্রানী (শুধু মানুষ ও জ্বীন ছাড়া) আল্লাহ্‌র ইচ্ছার কাছে সম্পূর্ন আত্মসমর্পণ করেছে। আল্লাহ্‌ সূর্যকে যে নিয়মে বেঁধে দিয়েছেন সে সেই নিয়মে আল্লাহ্‌র কাছে নিজেকে সমর্পণ করেছে, পানি আল্লাহ্‌র ইচ্ছাতেই বয়ে চলে, জমাট বাঁধে, বাষ্প হয়। আমরা মানুষরা অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছাতেই হোক আর অনিচ্ছাতেই হোক সম্পূর্নভাবে আল্লাহ্‌র কাছে আত্মসমর্পণ করি – যেমন ক্ষুধা পেলে আমরা খাই, ঘুম পেলে ঘুমাই, বাথরুম চাপলে বাথরুমে যাই। আমাদের আত্মসমর্পণের বাকী অংশগুলো আল্লাহ্‌ আমাদের ইচ্ছাশক্তির উপর ছেড়ে দিয়েছেন। সে ইচ্ছাশক্তি শুধু এদিক সেদিক দৌড়ে চলে যেতে যায়। আমরা যদি জোর করে তাকে ধরে আল্লাহ্‌র হুকুমের কাছে আত্মসপর্ণ করাই তবেই আমরা মুসলিম। জিব্রাইল(আ) এর হাদিস আমাদের বলে দেয় মুসলিম হওয়ার সর্বনিম্ন কোয়ালিফিকেশন – মহান আল্লাহকে সর্বশক্তিমান প্রতিপালক বলে মনেপ্রানে বিশ্বাস করলে, রাসূলুল্লাহ(সা) যেভাবে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে বলেছেন সেভাবে নামাজ পড়লে, রমজান মাসে রোজা রাখলে, যেভাবে যাকাত দিতে বলেছেন সেভাবে দান করলে, বুড়ো বয়সের জন্য অপেক্ষা না করে সামর্থ্য হওয়ার সাথে সাথেই হজ্জ করলে – কমপক্ষে এই পাঁচটি কাজ আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করে থাকলে আমরা মুসলিম হতে পারবো।

তারা কি আল্লাহ্‌র দ্বীন ছাড়া অন্য কোন পথ কামনা করছে? অথচ আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছুই তাঁর কাছে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছে এবং তাঁরই দিকে সব ফিরে যাবে। (সূরা আলে ইমরান ৩:৮৩)

সৃষ্টির আদি থেকে শুরু করে আল্লাহ যুগে যুগে নবী-রাসূলদের পাঠিয়েছেন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য। ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ নবী হলেন মুহাম্মদ(সা)। আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত প্রিয় নবী মুহাম্মাদ(সা) যেটা ভালো বলেছেন সেটাকে ভালো, আর উনি যেটাকে মন্দ বলেছেন সেটাকে মন্দ বলে মেনে নিয়ে নিজেকে সমর্পণ না করে দিবো ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা মুসলিম হতে পারবো না। এ কথা সত্য যে নিজের লোভ-লালসা নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে আমরা হয়তো অনেক সময়ই পাপ কাজ করে ফেলবো, কিন্তু মুসলিম (আত্মসমর্পণকারী) সে ব্যক্তি যে নিজের সীমাবদ্ধতাকে আল্লাহ্‌র কাছে স্বীকার করে ক্ষমা চায় এবং বার বার চেষ্টা করে আল্লাহ্‌র হুকুমের কাছে নিজেকে সঁপে দিতে। আল্লাহ্‌র অবাধ্যতা সে হয়তো পুরোপুরি ছাড়তে পারে না, কিন্তু সে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে সে যা করছে তা ঠিক হচ্ছে না, আল্লাহ ও রাসূল(সা) যেটা বলেছেন সেটাই সবচেয়ে সঠিক।

খুব ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপারে হলো যে ‘ইসলাম’ শব্দটির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে মৃত্যুর সাথে। কারণ, আরবীতে ‘আসলামা’ শব্দের অর্থ হলো মৃত্যু। ‘আসলামা নাফসুহু’ বলতে বুঝায় আত্মার আত্মসমর্পণ (To give up the soul)। মৃত্যুর ফেরেশতা চলে আসলে যে ব্যক্তি অমুসলিম সে তখনো গোয়ার্তুমী করতে থাকে, আল্লাহ্‌র কাছে নিজের আত্মাকে সমর্পণ করতে চায় না। ফলে, ফেরেশতারা টেনে টেনে তার শরীরের রগ ছিন্ন-ভিন্ন করে জোর করে তার আত্মাকে তার থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। যে ব্যক্তি সারাজীবন আল্লাহ্‌র ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ করেনি, সে মৃত্যুর সময়েও আত্মসমর্পণ করতে চাইবে না। অন্যদিকে, মুসলিম হলো সেই ব্যক্তি যার মৃত্যু ঘনিয়ে আসলে সে তার আত্মাকে সহজেই সমর্পণ করে দেয়। ফলে তার জান তার শরীর থেকে এমনভাবে বেরিয়ে আসে যেভাবে কলসির মুখ দিয়ে পানি বেরিয়ে আসে। সারা জীবন যার দ্বীন ছিলো ইসলাম (আত্মসমর্পন), মৃত্যুর সময়েও তার দ্বীন হবে ইসলাম।

বাংলাদেশে জন্মালেই বাংলাদেশী হওয়া যায়, চৌধুরী সাহেবের ঘরে জন্মালেই নামের শেষে চৌধুরী বসানো যায়, কিন্তু শুধু মুসলিম পরিবারে জন্মানোর কারণেই কারো দ্বীন ইসলাম হয় না। মুসলিমকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস রাখতে হয় যে সব ধর্ম সমান না, ইসলাম ছাড়া আর কোনো ধর্মই আল্লাহ্‌র কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কেউ যদি মনে করে আজ আমি হিন্দুর ঘরে জন্মালে হিন্দু হয়ে থাকতাম, খ্রীষ্টানের ঘরে জন্মালে খ্রীষ্টান হয়ে থাকতাম – একই তো কথা – সে তাওহীদ কি তাই বুঝতে পারে নি, এক আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করার মিষ্টি স্বাদ সে পায়নি, মুসলিম পরিবারে জন্মালেও তার দ্বীন ইসলাম না।

নামের আগে মুহাম্মাদ, ঈদের সময় ঈদের নামাজ আর শুক্রবারের জুমু’আর নামাজ মুসলিম হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। মুসলিম হতে হলে নিজেকে আল্লাহ্‌র দাস মনে করে পরিপূর্নভাবে আত্মসমর্পণ করতে হয়, নিজের মনে যা চায় তার উপর আল্লাহ্‌র হুকুমকে প্রাধান্য দিতে হয়, পালন করতে না পারলে মনে আফসোস থাকতে হয়। মানুষের চোখে মুসলিম হয়ে বেঁচে থেকে কি লাভ যদি আমরা আল্লাহ্‌র কাছে মুসলিম হিসাবে ফিরে যেতে না পারি?

তুমি কি লক্ষ্য করেছ তাকে যে তার খেয়াল-খুশীকে নিজের উপাস্য করে নিয়েছে? – (সূরা জাসিয়াহ ৪৫:২৩)

সূত্র:

১।  Pillars of Practice – Hamza Yusuf.

২। যা হবে মরণের পরে – আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী, তাওহিদ পাবলিকেশন্স।

One thought on “তোমার দ্বীন কি?

  1. পিংব্যাকঃ আরবি শব্দ “দ্বীন”-এর পাঁচটি অর্থ | আমার স্পন্দন

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s